• ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ravindra Jadeja

খেলার দুনিয়া

দুরন্ত হার্দিক, বিশ্বকাপে হারের মধুর প্রতিশোধ নিল ভারত

গত বছর টি২০ বিশ্বকাপে এই দুবাইয়ে পাকিস্তানের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল ভারত। এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিল ভারত। দলকে দুরন্ত জয় এনে দিলেন হার্দিক পান্ডিয়া।টস জিতে এদিন পাকিস্তানকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। ভুবনেশ্বর কুমার, হার্দিক পান্ডিয়াদের দাপটে বড় ইনিংস গড়তে পারেনি পাকিস্তান। ১৯.৫ ওভারে তোলে ১৪৭। দুরন্ত বোলিং করেন ভুবনেশ্বর কুমার ও হার্দিক পান্ডিয়া। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খেয়েছিল পাকিস্তান। ভুবনেশ্বর কুমারের বলে অর্শদীপের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। ৯ বলে তিনি মাত্র ১০ রান করেন।বাবর আজম ফিরে যাওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন রিজওয়ান ও ফখর জামান। ষষ্ঠ ওভারে আবেশ খানের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে দীনেশ কার্তিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ফখর জামান। ৬ বলে তিনি করেন ১০ রান। এরপর রিজওয়ান ও ইফতিখার আমেদের জুটিতে ওঠে ৪৫। ২২ বলে ২৮ রান করে হার্দিকের বলে আউট হন ইফতিখার। মহম্মদ রিজওয়ানকেও তুলে নেন হার্দিক। ৪২ বলে ৪৩ রান করেন রিজওয়ান। খুশদিল শাহ (২), আসিফ আলিরা (৯) সুবিধা করতে পারেননি। ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন হার্দিক পান্ডিয়ার। অর্শদীপ সিং নেন ২ উইকেট। আবেশ খান ১টি উইকেট পান। জয়ের জন্য ১৪৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। দেশের হয়ে টি২০ অভিষেক ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই নাসিম শাহ তুলে নেন লোকেশ রাহুলকে (০)। বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন ভারতীয় দলের সহঅধিনায়ক। অভিষেকলগ্ন আরও স্মরণীয় করে রাখতে পারতেন পাকিস্তানের এই জোরে বোলার। ওভারের চতুর্থ বলে স্লিপে বিরাট কোহলির ক্যাচ ফেলে দেন ফখর জামান। যদি তালুবন্দী করতে পারতেন, আবার নামের পাশে আর একটা শূন্য বসে যেত কোহলির।প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করছিলেন কোহলি ও রোহিত শর্মা। যদিও পাকিস্তানের জোরে বোলারদের সামনে ততটা স্বপ্রতিভ ছিলেন না। বিশ্রাম কাটিয়ে দীর্ঘদিন বাইশ গজে ফেরা কোহলিকে বেশ নার্ভাস লাগছিল। তার মধ্যেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অষ্টম ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে। মহম্মদ নওয়াজকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে লং অফে ইফতিখার আমেদের হাতে ধরা পড়েন রোহিত। ১৮ বলে তিনি করেন ১২।প্রাথমিক চাপ কাটিয়ে কোহলি বেশ ভালোই ব্যাটিং করছিলেন। উইকেটে জমে গিয়েছিলেন। কিন্তু মহম্মদ নওয়াজ বড় শট খেলার প্রলোভন দেখিয়ে তুলে নেন কোহলিকে। ৩৪ বলে ৩৫ রান করে লং অফে ধরা পড়েন কোহলি। জীবনের শততম টি২০ ম্যাচে বড় রান পেলেন না।রোহিত আউট হওয়ার সময় পাকিস্তানের আক্রমণে শানানোর দায়িত্বে ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার মহম্মদ নওয়াজ ও লেগস্পিনার সাদাব খান। এই দুই স্পিনারের ছন্দ নষ্ট করার জন্য রবীন্দ্র জাদেজাকে ব্যাটিং অর্ডারে চার নম্বরে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল। পাঁচ নম্বরে নামা সূর্যকুমার যাদবকে সঙ্গী করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন জাদেজা। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন নাসিম শাহ। তুলে নেন সূর্যকুমারকে। ১৮ বলে ১৮ রান করে আউট হন তিনি।এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান জাদেজা ও হার্দিক। শেষদিকে নাটক জমে ওঠে। ১৭তম ওভারে নাসিমের চতুর্থ বলে আম্পায়ার এলবিডব্লু আউট দেন জাদেজাকে। রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান জাদেজা। পরের বলেই ছক্কা হাঁকান। ১৯ তম ওভারে হ্যারিস রউয়ের বলে তিনটি বাউন্ডারি মেরে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন হার্দিক। পরের ওভারের প্রথম বলে জাদেজাকে (২৯ বলে ৩৫) তুলে নেন মহম্মদ নওয়াজ। ৬ মেরে দলকে জয় এনে দেন হার্দিক। ২ বল বাকি থাকতে ১৪৮/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। ১৭ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন নওয়াজ। অভিষেক ম্যাচে ২৭ রানে ২ উইকেট নাসিং শাহর।

আগস্ট ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কোহলিদের বিরুদ্ধে নামার আগে কেন আত্মবিশ্বাসী চেন্নাই সুপার কিংস?‌

আইপিএলের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি সাফল্য পেয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অথচ এই দুটি দলই এই মরশুমে এখনও একটা ম্যাচেও জয় পায়নি। টানা ৪ ম্যাচে হার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের। মঙ্গলবার রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মুখোমুখি হচ্ছে রবীন্দ্র জাদেজার দল। প্রথম জয়ের দিকে তাকিয়ে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। যদিও কাজটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ এই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে রয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্য আশাবাদী। চেন্নাই শিবিরকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে তাদের পরিসংখ্যান। আইপিএল এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে চেন্নাই সুপার কিংস এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ২৯ বার মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে ১৯টি ম্যাচে জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। আর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর জিতেছে ৯ টি ম্যাচে। একটা ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। ২০১৯ ও ২০২০ আইপিএলে দুটি দলই একটা করে ম্যাচ জিতেছিল। গতবছর অবশ্য দুটি সাক্ষাৎকারেই জিতেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। পরিসংখ্যান চেন্নাই সুপার কিংসের দিকে থাকলেও মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরই ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে। কারণ চলতি আইপিএলে টানা ৩ ম্যাচ জিতে দারুণ ছন্দে রয়েছে ফাফ ডুপ্লেসির দল। বলতে গেলে মঙ্গলবার একপ্রকার মরণবাঁচন ম্যাচ খেলতে নামছে চেন্নাই সুপার কিংস। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে হারলেই প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে যাবে রবীন্দ্র জাদেজাদের কাছে। এর আগেও যে চেন্নাই টানা ৪ ম্যাচে হারেনি, এমন নয়। ২০১০ আইপিএলেও টানা ৪ ম্যাচ হেরেছিল ধোনি ব্রিগেড। তবে সেবার প্রথম ৪ ম্যাচে হারতে হয়নি। এবছর টানা ৪ ম্যাচ হেরে দলের আত্মবিশ্বাস যে তলানিতে পৌঁছেছে, মেনে নিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। তিনি মনে করছেন, ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং, কোনও বিভাগেই ক্রিকেটাররা পরিকল্পনার সঠিক প্রয়োগ ঘটাতে পারেননি। চেন্নাই সুপার কিংসের সবথেকে বড় সমস্যা অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ। ব্যাটাররাও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারছেন না। বোলিংয়ে দীপক চাহারের অভাব প্রতিটা ম্যাচেই ফুটে উঠেছে। ক্রিস জর্ডন, অ্যাডাম মিলনে, শিবম দুবে, স্যান্টনাররা দলকে ভরসা দিতে পারেননি। ব্যাটিংয়েও ধারাবাহিকতার অভাব। সবথেকে বড় চিন্ত ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ফর্ম। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটিং গভীরতা অনেক বেশি। ম্যাক্সওয়েল যোগ দেওয়ায় শক্তি আরও বেড়েছে। বোলাররাও দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ফলে চেন্নাইয়ের কাছে জয় তুলে নেওয়া সম্ভব হবে না।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এবারের আইপিএলে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। চতুর্থ ম্যাচেও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হল ৮ উইকেটে। দলকে এখনও জেতাতে না পারলেও এদিন নজির গড়ল চেন্নাই সুপার কিংস। নাম তুলে ফেললেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নাদের তালিকায়। প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে, জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সি গায়ে ১৫০ তম ম্যাচ খেলে ফেললেন রবীন্দ্র জাদেজা। রবীন্দ্র জাদেজা হলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নার পর চেন্নাই সুপার কিংসের তৃতীয় ক্রিকেটার যিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছলেন।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি খেলেছেন ২১৭টি ম্যাচ। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ২০০ ম্যাচ। আর রবীন্দ্র জাদেজা খেললেন ১৫০ ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ডোয়েন ব্রাভো। তিনি খেলেছেন ১২৩টি ম্যাচ। রবিচন্দ্রন অশ্বিন খেলেছেন ১২১ ম্যাচ। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ১৫০ ম্যাচে রবীন্দ্র জাদেজার রান ১৫৪৬। উইকেট নিয়েছেন ১১০টি। ক্যাচ ধরেছেন ৬৯টি।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে একের পর এক মাইলস্টোন করে চললেও চলতি আইপিএলে এখনও পর্যন্ত দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রবীন্দ্র জাদেজা। টানা ৪ ম্যাচে হারতে হয়েছে। চেন্নাই সমর্থকরা আশা করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হয়তো দল ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু ব্যাটাররা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথমে ব্যাটিং করে ১৫৪/৭ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৭.৪ ওভারে দুই উইকেটের বিনিময়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবছর আইপিএলের আগে অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়। নতুন অধিনায়কের দায়িত্বে এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌প্রথম টেস্টে চালকের আসনে ভারত, আবার বিতর্কে দ্রাবিড়

মোহালিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনেই চালকের আসনে ভারত। এদিন চা বিরতির পর ৮ উইকেটে ৫৭৪ রান তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করেন রোহিত শর্মা। দুরন্ত ব্যাটিং রবীন্দ্র জাদেজার। ১৭৫ রানে অপরাজিত রইলেন তিনি। জবাবে দিনের শেষে ৪ উইকেটে ১০৮ রান। ভারতের ইনিংস ডিক্লেয়ার নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিতর্কে আবার নাম জড়িয়েছে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের। তাঁর জন্যই নাকি দ্বিশতরান হাতছাড়া হয়েছে রবীন্দ্র জাদেজার।এদিন মোহালিতে ফিরে এল ২০০৪ সালে ২৯ মার্চের স্মৃতি। মুলতানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেই টেস্টে ভারতের নেতৃত্বে ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। দ্বিতীয় দিন চা বিরতির সময় ভরতের রান ছিল ৫৮৮/৪। শচীন তেন্ডুলকার ১৬৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। চা বিরতির পর ৩৫ বলে ২৯ রান করার পরেও শচীনকে দ্বিশতরান করার সুযোগ দেননি অধিনায়ক দ্রাবিড়। যুবরাজ আউট হতেই ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেন। দ্রাবিড়। শচীন তখন ১৯৪ রানে অপরাজিত। দ্রাবিড় এখন ভারতের কোচ। এদিন জাদেজা যেভাবে ব্যাট করছিলেন, সেঞ্চুরি করতে বেশিক্ষণ সময় লাগত না। কিন্তু ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক অপেক্ষা করেনি। ইনিংস ডিক্লেয়ারের সিদ্ধান্ত দ্রাবিড়ের মস্তিষ্কপ্রসূত। শচীন ও জাদেজার দ্বিশতরান থেকে বঞ্চিত হওয়ার নেপথ্যে থেকে গেলেন সেই রাহুল দ্রাবিড়। ১৮ বছর আগে তিনি ছিলেন অধিনায়ক আর এখন কোচ।আগের দিন ২২৮ রানের মাথায় ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়েছিল। শ্রেয়স আয়ার ২৭ রানে আউট হওয়ার পর ঋষভ পন্থের সঙ্গে জুটি বাঁধেন রবীন্দ্র জাদেজা। দুজনের জুটিতে ওঠে ১০৪ রান। জাদেজাঅশ্বিন জুটিতে ওঠে ১৩০। ৬১ রান করে আউট হন অশ্বিন। ভারতের অষ্টম উইকেট পড়ে ৪৭১ রানের মাথায়। মাত্র ২ রান করে আউট হন জয়ন্ত যাদব। জাদেজামহম্মদ সামির নবম উইকেট জুটিতে ওঠে ১০৩। জাদেজা সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ১৬০ বলে। ১৫০ রানে পৌঁছান ২১১ বলে। সামি ৩৪ বল খেলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। রবীন্দ্র জাদেজা অপরাজিত থাকেন ১৭৫ রানে। খেলেন ২২৮ বল। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১৭টি চার ও ৩টি ছয়।চা বিরতির পর ইনিংস শুরু করে শ্রীলঙ্কা। ৪৮ রানে প্রথম উইকেট হারায়। লাহিরু থিরিমানেকে তুলে নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। থিরিমানে ৬০ বলে ১৭ রান করেন। করুণারত্নে ৭১ বলে ২৮ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার শিকার। ৩৯ বলে ২২ রান করে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ যসপ্রীত বুমরার বলে লেগ বিফোর হন।অশ্বিন ১৩ ওভারে ২১ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। রবীন্দ্র জাদেজা ৩০ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। যশপ্রীত বুমরা ২০ রান দিয়ে ১টি উইকেট দখল করেছেন।

মার্চ ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রেয়স–জাদেজা ঝড়ে উড়ে গেল শ্রীলঙ্কা, টানা সপ্তম সিরিজ জয় ভারতের

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টি২০ সিরিজ জয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও কি ৩০ ব্যবধানে সিরিজ জিততে পারবে ভারত? শ্রেয়স আয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজার দুরন্ত ব্যাটিং ভারতকে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় এনে দিল। ২০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। এই নিয়ে দেশের মাঠে টানা সপ্তমবার টি২০ সিরিজ জিতল।ধরমশালায় টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শ্রীলঙ্কা প্রথম ১০ ওভারে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরতে পারেনি। রান তোলার গতি ছিল খুবই শ্লথ। শেষ ৩ ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা ও দাসুন শানাকার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুঁ্ড়ে দেয় শ্রীলঙ্কা। নির্ধারিত ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৫ উইকেটে ১৮৩ রান। ২টি চার ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। শেষ ৪ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৭২ রান। পাথুম নিসাঙ্কা ও দাসুন শনাকার পঞ্চম উইকেট জুটিতে ২২ বলে ওঠে ৫০। নিসঙ্কা অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ৪৩ বলে। ভুবনেশ্বর কুমারের বলে এলবিডব্লু আউট হওয়ার আগে ৫৩ বলে করেন ৭৫ রান। নিসঙ্কা ১৯ তম ওভারের শেষ বলে আউট হলেও শ্রীলঙ্কাকে বড় রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক শানাকা। ১৯ বলে ৪৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ১৮৩/৫। ভুবনেশ্বর কুমার ৩৬ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৪ রানে ১টি, যুজবেন্দ্র চাহাল ২৭ রানে ১টি ও রবীন্দ্র জাদেজা ৩৭ রানে ১টি উইকেট দখল করেন।রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রোহিতের (১) উইকেট হারায় ভারত। প্রথম ওভারের শেষ বলে তুলে নেন দুষ্মন্ত চামিরা। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ১৬ রান করে ঈশান কিষাণ আউট হন। ভারতের রান তখন ৪৪। এরপরই শ্রেয়স আয়ার ও সঞ্জু স্যামসনের জুটি ভারতকে জয়ের দিকে এগিয়ে দেয়। ঝোড়ো ব্যাটিং করে তাঁরা জুটিতে তোলেন ৮৪ রান। ২৫ বলে ৩৯ রান করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। এরপর শ্রেয়সের সঙ্গে জুটি বেঁধে দুরন্ত ব্যাটিং করে ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১৭ বলে বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। শ্রেয়স ৪৪ বলে ৭৪ ও জাদেজা ১৮ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! বাইক নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাইক চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট । সোমবার থেকে বাইক মিছিল এবং একসঙ্গে একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার-এর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।এর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাইক চলাচল নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না । এছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে বাইরে বেরোনোর উপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল। শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে, যেমন হাসপাতালে যাওয়া বা সন্তানকে স্কুল থেকে আনা, সেই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। বাইকের পিছনে যাত্রী বসানো নিয়েও কড়াকড়ি করা হয়েছিল।তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা হলে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর সিঙ্গল বেঞ্চ সেই নিয়মে পরিবর্তন আনে। তিনি ৭২ ঘণ্টার বদলে ১২ ঘণ্টা আগে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন।এরপর নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। নতুন নির্দেশে আদালত জানায়, দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে কেউ যদি একা বা স্বাভাবিকভাবে বাইক নিয়ে বেরোন, তাতে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।এই নির্দেশের ফলে ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আরও কড়া নজরদারি চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা হামলা করল তৃণমূল সাংসদের ওপর! কী বলছে নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্ট

আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর গাড়িতে হামলার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পিছনে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। হুগলি জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে গোঘাট এলাকায়। অভিযোগ উঠেছিল, বিজেপি কর্মীরা সাংসদের গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে ভাঙচুর চালায়। গাড়ির কাচ ভেঙে যাওয়ায় তিনি আহত হন বলে দাবি করা হয় এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, একটি প্রচার কর্মসূচি থেকে ফেরার সময় সাংসদের গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এটি দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলও হতে পারে।পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। ভোর থেকেই আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে প্রশাসনের দাবি।এদিকে এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।তবে প্রশাসনের এই প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, কীভাবে এই ঘটনাকে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব বলা হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়।অন্যদিকে সাংসদ মিতালি বাগ অভিযোগ করেছেন, গোঘাট হাসপাতালের সামনে বিজেপি কর্মীরা আচমকা বিক্ষোভ শুরু করে এবং তারপরই তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, লাঠি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাতে তিনি আহত হন। এই ঘটনায় তিনি সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আরামবাগে তৃণমূল সাংসদের ওপর হামলায় তীব্র বার্তা! কী বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ দিনের প্রচারে আরামবাগে সভা করতে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভায় যাওয়ার পথেই তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। গোঘাট থেকে আরামবাগে যাওয়ার পথে তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে সভামঞ্চ থেকেই বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি দাবি করেন, কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত তা তিনি জানেন এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে একে একে সবাইকে চিহ্নিত করা হবে। তিনি বলেন, ৪ তারিখের পর সব হিসেব নেওয়া হবে।সভায় তিনি আরও বলেন, যারা ভাবছে এই হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানা নেই, তারা ভুল করছে। কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, এই ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি তিনি জানান, আরও যাদের ভূমিকা রয়েছে, তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।এর আগে খবর পেয়ে সভাস্থলে যাওয়ার আগে হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংসদের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, সাংসদের শারীরিক অবস্থা ভালো নয় এবং তিনি ঠিকভাবে কথা বলতে পারছেন না।মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, একজন তফসিলি মহিলা সাংসদের উপর হামলা করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভোটে জয় বা পরাজয় যাই হোক, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় সিপিএম ও বিজেপিকে একসঙ্গে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সিপিএমের কর্মীরাই এখন বিজেপির সঙ্গে মিলিত হয়ে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার হতে পারেন, কিন্তু তিনি কঠোর অবস্থান নেবেন।উল্লেখ্য, এর আগেই গোঘাটের বর্মা এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির মিছিলে হামলা চালায়, যাতে বহু মানুষ আহত হন। তাঁদের আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ সামনে আসে।পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি মোদির! ৪ মে-র পর বাংলায় সরকার গঠনের ইঙ্গিত

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচারের শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সভা থেকে তিনি দাবি করেন, গত কয়েকদিন রাজ্য ঘুরে তিনি বুঝতে পেরেছেন, আগামী ৪ মে-র পর রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হবে। সেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁকে আবার বাংলায় আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাজ্যের মানুষকে নিজের মানুষ বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, বাংলায় এলে তিনি মানসিক শান্তি অনুভব করেন। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে এখন জঙ্গলরাজ চলছে। একের পর এক জুট মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মসংস্থানের অভাব তৈরি হয়েছে। এর ফলে যুব সমাজ কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে এবং বয়স্করা একা হয়ে পড়ছেন।প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, রোজগার মেলার মাধ্যমে যুবকদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে এবং শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা হবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের সপ্তম বেতন কমিশনের সম্পূর্ণ সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।তিনি আরও জানান, রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজের গ্যারান্টি চালু করা হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে কন্টেন্ট তৈরির কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিজেপি সরকার এলে কলকাতা মেট্রোর দ্রুত সম্প্রসারণ করা হবে।মহিলা নিরাপত্তা নিয়েও গুরুত্ব দেন মোদি। তিনি বলেন, এমন সরকার দরকার যেখানে বাড়ির মেয়েরা নিশ্চিন্তে রাস্তায় বেরোতে পারেন। পাশাপাশি তিনি ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা পেতে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।কলকাতার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে মোদি বলেন, কলকাতাকে অন্য শহরের মতো বানাতে গিয়ে তার নিজস্ব ঐতিহ্য নষ্ট করা হয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে বলেও তিনি দাবি করেন।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটে মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের আগে এই সভার মাধ্যমে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

শেষ মুহূর্তের প্রচারে রণক্ষেত্র! আহত তৃণমূল সাংসদকে ভর্তি করা হল হাসপাতালে

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ দিনের প্রচারে আরামবাগে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার ঠিক আগেই সাংসদ মিতালি বাগের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে প্রচারের সময় এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, গোঘাট হাসপাতালের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মিতালি বাগের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা গাড়িতে পাথর ছোড়ে এবং ভাঙচুর চালায় বলে দাবি। এর পরেই দ্রুত তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিতালি বাগ। তিনি বলেন, তাঁর গাড়িতে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই এই ধরনের নাটক করা হচ্ছে এবং মানুষ এসব বিশ্বাস করবে না।এদিকে গোঘাটে বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগারের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে। উভয় পক্ষের কর্মীদের হাতে লাঠি, বাঁশ ও ভাঙা কাচ দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বড় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে বড় অভিযান! ৩৬ ঘণ্টায় গ্রেফতার দেড় হাজারের বেশি

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড় পদক্ষেপ নিল পুলিশ প্রশাসন। বিশেষ অভিযানে রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে মোট ১০৯৫ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৬ ঘণ্টায় মোট ১৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়, যেখানে ৪৭৯ জনকে ধরা হয়েছে। এই তালিকায় এক তৃণমূল কাউন্সিলরের নামও রয়েছে, যার বিরুদ্ধে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, সেখানে ৩১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই জেলাতেই সম্প্রতি উত্তেজনার ঘটনা সামনে আসে এবং বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলার অভিযোগে এক তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, যেখানে ২৪৬ জনকে ধরা হয়েছে। এছাড়া কলকাতা উত্তর থেকে ১০৯ জন, হুগলি থেকে ৪৯ জন, নদিয়া ও হাওড়া থেকে ৩২ জন করে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশের এই ব্যাপক ধরপাকড়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটের সময়ে কোনও অশান্তি যাতে না হয় এবং দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য কমানো যায়, সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগামী দিনেও এই ধরনের কড়া পদক্ষেপ চলবে এবং যারা আইন ভাঙবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, ভোটের আগে সম্ভাব্য অশান্তি সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে একটি তালিকা তৈরি করেছিল নির্বাচন কমিশন। এই তালিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট-এ ওঠে। পরে আদালত সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

‘বাংলায় গুন্ডারাজ’—কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী

আসানসোলে কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। এই ঘটনায় শাসকদলকে আক্রমণ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেছেন, বাংলায় গুন্ডারাজ চলছে এবং ভয় দেখানো, মারধর ও খুন এখন শাসক দলের চরিত্রে পরিণত হয়েছে। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তিনি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতের পরিবারের নিরাপত্তা ও আর্থিক সাহায্যের কথাও বলেছেন।মৃত কংগ্রেস কর্মী দেবদীপ চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের অভিযোগ, ভোট পরবর্তী হিংসার জেরেই এই মৃত্যু। তাঁদের দাবি, রাতে বাড়ি ফেরার সময় কিছু দুষ্কৃতী তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে মারধর করে, যার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।তবে এই ঘটনায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে এটি ব্যক্তিগত বিবাদের ফল বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টেও পুলিশ জানিয়েছে, এর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের সরাসরি যোগের প্রমাণ মেলেনি।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে একটি জায়গায় গাড়ি দাঁড় করানো নিয়ে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে দেবদীপের বচসা হয়। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে মারধর করা হয়। পরে অন্য একটি জায়গাতেও তাঁর সঙ্গে ঝামেলা বাধে এবং অভিযুক্তরা তাঁকে অনুসরণ করে। শেষ পর্যন্ত তাঁর বাড়ির সামনে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সেখানেই তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়ে যান।পরিবারের সদস্যরা প্রথমে মনে করেছিলেন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং নজরদারি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া নজরদারি! পাড়ায় পাড়ায় বাইকে টহল দেবে বাহিনী

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার জন্য প্রস্তুতি আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন। এবার একশো বিয়াল্লিশটি কেন্দ্রকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। রবিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পুলিশ ও বাহিনীকে বিস্তারিত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়।কমিশন জানিয়েছে, ভোটে কোনও অশান্তি যাতে না হয়, তার জন্য পাড়ায় পাড়ায় নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। এবার অলিগলিতেও পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোট একশো ষাটটি মোটরবাইকে জওয়ানরা টহল দেবেন। প্রতিটি বাইকে থাকবেন দুজন করে জওয়ান। কোথাও কোনও গোলমাল দেখা দিলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।দ্বিতীয় দফার ভোটে মূল লক্ষ্য হল শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ। সেই কারণে ভোটের আগে থেকে গণনা পর্যন্ত কীভাবে নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কোথায় কত বাহিনী থাকবে, কোথায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল মোতায়েন করা হবে, সবকিছুর খুঁটিনাটি পরিকল্পনা করা হয়েছে।বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়তি নজর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ভোটকেন্দ্রেই নয়, ভোটারদের যাতায়াতের পথেও নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রয়োজন হলে সেখানে নজরদারি যন্ত্র বসানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং অফিসার, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিক এবং সাধারণ ও পুলিশ পর্যবেক্ষকরা। এছাড়াও বিশেষ পর্যবেক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।এদিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও বিভিন্ন জেলায় ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রবিবার তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপে গিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal